জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

জার্মানির বার্লিনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে দূতাবাসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।
দিবসের শুরুতে জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর উপস্থিতিতে জাতীয় সংগীত বাজানোর মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের সকল কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের উপস্থিতিতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। যার প্রতিপাদ্য ছিলো "বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের অঙ্গীকার, সকল শিশুর সমান অধিকার"। আলোচনা সভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামমুখর জীবন, কর্ম, আদর্শ এবং একটি স্বাধীন দেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা ও অবদানের নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম আলোচনার পাশাপাশি শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর অপরিসীম ভালোবাসার কথা তুলে ধরেন। জাতীয় শিশু দিবসের গুরুত্ব ও শিশুদের জন্য বর্তমান সরকারের মাইলফলক অর্জন সমূহ ও ভবিষ্যত পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নেতৃত্বের গুণাবলী ধারণ করে তাঁর কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের জন্য অর্থনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি শিশুদের সুনাগরিক এবং দেশপ্রেমিক হয়ে বেড়ে উঠতে যা যা প্রয়োজন তার সবকিছুই নিশ্চিত করছেন।
এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের উদ্যোগে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে পুরুস্কার তুলে দেন। পরে সকলে মিলে কেক কাঁটা হয়।
সবশেষে জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য, মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদ এবং বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের জন্য দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।