জার্মানিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত

জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জার্মানিতে বিদ্যমান করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশী কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. গওহর রিজভী।
দিনের শুরুতে জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদশিদের উপস্থিতিতে দূতাবাস প্রাঙ্গনে জাতীয় সংগীত বাজানোর মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে রাষ্ট্রদূত সকলকে নিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় স্মৃতি সৌধের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

আলোচনা সভার শুরুতেই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। আলোচনা সভায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা সভায় আলোচকরা বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অভূতপুর্ব অর্জনের ভূয়সী প্রশংসা করেন ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. গওহর রিজভী তাঁর বক্তব্যে শোষিতের অধিকার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক ও রাজনৈতিক অবদান তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনডিসি তাঁর বক্তব্যে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচীর ফলে বাংলাদেশ কিভাবে আজ “উন্নয়ন বিস্ময়” হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি লাভ করেছে সে বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নেতৃত্বের গুণাবলী ধারণ করে তাঁর কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আজ অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সবশেষে জাতির পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য, মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদ এবং বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের জন্য দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।